Main Menu

নন্দীগ্রামে ইরি-বোরো ফসলী জমির মাঠ এখন সবুজের সমারহ

নন্দীগ্রাম (বগুড়া) থেকে নাজমুল হুদা সরকার : বগুড়ার নন্দীগ্রামে ইরি- বোরো ফসলী জমির মাঠ এখন সবুজের সমারহ। বগুড়া জেলার নন্দীগ্রাম উপজেলা প্রাচীনকাল থেকে ধান উৎপাদনের জন্য বিখ্যাত। এই উপজেলায় বছরে ৩ বার ধানের চাষাবাদ করা হয়। জমির উর্বরশক্তি অনেক বেশি রয়েছে তাই বছরে ৩ বার ধানের চাষাবাদ করা সম্ভব হয়। এর মাঝে রবিশস্য’রও চাষাবাদ করা হয়। উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, চলতি ইরি-বোরো 879মৌসুমে নন্দীগ্রাম উপজেলায় ২০ হাজার হেক্টর জমিতে ধানের চাষাবাদ করা হয়েছে। উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৭৮ হাজার ৪৬৬ মেট্রিকটণ। বিগত ইরি-বোরো ও আমন মৌসুমে নন্দীগ্রামে ধানের বাম্পার ফলন হয়েছে।

এবারও ইরি-বোরো ফসলী জমির চিত্র অনেকটা ভাল দেখা যাচ্ছে। এতে ধারণা করা হচ্ছে, এবারও ধানের বাম্পার ফলন হবে। উপজেলা কৃষি অফিসার মশিদুল হকের সাথে কথা বললে তিনি বলেন, উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যনিয়ে আমরা মাঠ পর্যায়ে কাজ করছি। সার-কীটনাশক বা অন্য কোন সমস্যা-সংকট নাই। তাই আশাকরি এবারও ইরি-বোরো ধানের বাম্পার ফলন হবে। ধানের ফলন বেশি হলে কৃষকরা অনেকটা লাভ হয়। দেশেরও খাদ্য চাহিদা মিটাতে সহায়ক ভূমিকা রাখে। তাই আমরা সব সময় উৎপাদন বৃদ্ধির জন্য সব ধরণের কার্যক্রম চালিয়ে আসছি। ফসলী জমির চিত্র অনেকটা ভাল রয়েছে। ইতোমধ্যেই ধানের গাছ গামর হতে শুরু হয়েছে।

বৈশাখ মাসের মাঝামাঝি থেকেই ধান কাটা-মাড়াইয়ের কাজ শুরু হবে। কোন প্রাকৃতিক দূর্যোগ না হলে কৃষকরা ভালভাবেই তাদের কষ্টার্জিত ফসল ঘরে তুলতে পারবে। কৃষকরা ধানের বাজারমূল্য নিয়ে অনেকটা হতাশায় রয়েছে। তার কারণ ইরি-বোরো চাষাবাদ সবচেয়ে ব্যয়বহুল। তাই ওই হতাশার কারণ। নন্দীগ্রাম উপজেলায় উৎপাদিত ধানের ৭০ ভাগ ধান দেশের বিভিন্ন স্থানে সরবরাহ করা হয়। দেশের বিভিন্ন স্থানের ধান ব্যবসায়ীরা নন্দীগ্রাম উপজেলার রণবাঘা, ওমরপুর, নন্দীগ্রাম, কুন্দারহাট, শিমলা, কুমিড়া পন্ডিতপুকুর ও হাটকড়ইসহ বিভিন্ন স্থানে ধানের আরৎ ও গ্রাম-গঞ্জে থেকে ধান ক্রয় করে নিয়ে।

(Visited 1 times, 1 visits today)





Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked as *

*

+ 60 = 69

Skip to toolbar