Main Menu

ভুলে যাওয়া রোগ সারাবে যেসব খাবার

ভুলে যাওয়া বা স্মৃতিভ্রংশতার নানা কারণ রয়েছে। অতিরিক্ত চাপ, দুশ্চিন্তা ও বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে তা বাড়তে পারে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ডব্লিউএইচও’র এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিশ্বব্যাপী ৪ কোটি ৭৫ লাখ মানুষ স্মৃতিভ্রংশ (ডিমেনশিয়া) রোগে আক্রান্ত। এ সংখ্যা প্রতিবছরই বাড়ছে। তবে স্মৃতিভ্রংশতা রোধে সহায়ক বেশ কিছু খাবার রয়েছে। নিচে সেসব খাবার নিয়েই আলোচনা করা হলো।

ডিম: সহজলভ্য ও পুষ্টিতে ভরপুর একটি খাবার হলো ডিম। রক্তে শর্করার পরিমাণকে নিয়ন্ত্রণ করে এই খাবার। প্রচুর পরিমাণে কার্বোহাইডেট এবং ভিটামিন ডি রয়েছে এতে। পানির দ্রবণীয় পুষ্টিগুণ রয়েছে ডিমের কুসুমে, যা মস্তিষ্ক সুস্থ রাখতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে। পুষ্টিবিজ্ঞানীদের মতে, প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় অবশ্যই ডিম থাকা উচিত।

সূর্যমুখীর বীজ: বিশ্বের সর্বাধিক ব্যবহৃত ভোজ্যতেলের তালিকায় অন্যতম সূর্যমুখী ফুলের বীজ থেকে তৈরি তেল। এতে প্রচুর পরিমাণে পানি দ্রবণীয় পুষ্টিগুণ বা কলিন রয়েছে। বয়স্কদের স্বল্পমেয়াদী স্মৃতিচালনে বিশেষ ভূমিকা পালন করে। সূর্যমুখীর বীজে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন-ই আছে। স্মৃতিশক্তি ভালোভাবে পরিচালনা করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে ভিটামিন-ই।

মাছ: টুনা মাছ এবং স্যালমনসহ প্রায় সব মাছের চর্বিতে ওমেগা-৩ ফ্যাটি এসিড রয়েছে, যা মস্তিষ্কের কার্য পরিচালনায় সাহায্য করে। বাচ্চার মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা বৃদ্ধিতে গুরুতপূর্ণ ভূমিকা পালন করে মাছ। এছাড়া গর্ভবতী মহিলাদের জন্যও মাছ খুবই উপকারী খাবার।

স্ট্রবেরি ও কালোজাম: স্ট্রবেরি এবং কালোজামে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট রয়েছে; যা মস্তিষ্কের সংকেত পথচালনার জন্য উপকারী। এছাড়া মানব শরীরের কোষের মৃত্যু নিবারণে সাহায্য করে জাম। একইসঙ্গে মস্তিষ্কের প্রদাহ প্রতিরোধে সাহায্য করে ছোট্ট এই ফলটি।

শাক: আমাদের দেশে গ্রামে-গঞ্জে খোলা মাঠে বিভিন্ন রকম শাক পাওয়া যায়। এসব শাকে লুথিন নামক পদার্থ রয়েছে; যা অ্যান্টি-অক্সিডেন্টের জন্য শক্তিশালী ভূমিকা রাখে। মস্তিষ্কের উন্নতিতে এবং কার্যনির্বাহে সাহায্য করে লুথিন। এছাড়া শরীর চর্চাতেও ভূমিকা রাখে শাক।

বাদাম: ভিটামিন-ই এর অন্যতম প্রাকৃতিক উৎস কাজুবাদাম, চীনাবাদাম ও আখরোট। মস্তিষ্কের কার্য পরিচালনায় সাহায্য করে বাদাম।

ডার্ক চকলেট: কোকোয়া বীজের বিশেষ উপাদান সমৃদ্ধ ডার্ক চকলেট প্রাপ্তবয়স্কদের বয়সজনিত স্মৃতিশক্তি লোপ ঠেকাতে সাহায্য করে। প্রতিদিন কোকোয়া বীজ সমৃদ্ধ খাবার গ্রহণ করলে সার্বিক বুদ্ধিমত্তা তাৎপর্যপূর্ণভাবে বাড়ে। ডার্ক চকলেটে প্রচুর পরিমাণে ক্যাফিন রয়েছে, যা স্মৃতিশক্তি বাড়াতে সাহায্য করে।

(Visited 1 times, 1 visits today)





Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked as *

*

− 1 = 3

Skip to toolbar