Main Menu

ঘুমের মধ্যেও মেদ ঝরানো সম্ভব

আধুনিক জীবনযাত্রা ও পরিবর্তিত খাদ্যাভ্যাস এই দুইয়ের মিশেলে শরীরে রোজই জমছে অতিরিক্ত মেদ। সময়ের অভাবে প্রতিদিন জিম বা শরীরচর্চার সময়ও পান না অনেকেই। কিন্তু তা বললে কি চলে? বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ঘুম ওড়ালে চলবে না। কারণ, ঘুমানোর মধ্যেই নাকি রয়েছে মেদ ঝরানোর হরেক উপায়! মানে, ঘুমের হরেক নিয়ম ও তার আগে-পরের নানা অভ্যাসই কমিয়ে দেবে মেদ। এসব স্বভাব জানা থাকলে ঘুমের মধ্যেই কমিয়ে ফেলতে পারবেন কয়েক কেজি ওজন।

ঘুমানোর সময়েই শরীরের মেটাবলিজম রেট সবচেয়ে বেশি থাকে। তাই এই সময়টা ওজন কমানোর জন্য যথেষ্ট উপায় বলে মনে করছেন জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ গৌতম বরাট। জানেন সেসব কি কি? চিকিৎসকের মতে, সঠিকভাবে ঘুমাতে যাওয়ার অভ্যাস শরীরের মেদ কমাতে খুব সাহায্য করে। নির্দিষ্ট একটা বায়োলজিক্যাল ক্লক মেনে চললে শরীরের মেটাবলিজম রেট নিয়ন্ত্রণে থাকে। অন্তত ৭-৮ ঘণ্টা টানা ঘুমানো প্রয়োজন।

ঘুমের সময় মেদ কমাতে চাইলে ঘুমানোর আগে হালকা কিছু খান। হতে পারে তা প্রোটিন শেক বা এমন কোনো পানীয়, যা শরীরকে পুষ্টি দেয়ার সঙ্গে হালকা রাখে।
ঘুমের আগে অনেকেই ঘর অন্ধকার করেন, কিন্তু জ্বালিয়ে রাখেন নাইট ল্যাম্প। চিকিৎসকের পরামর্শ, নাইট ল্যাম্পও নিভিয়ে দিন। সম্পূর্ণ নিশ্ছিদ্র অন্ধকারে ঘুমালে শরীরে ক্যালোরি বার্ন বেশি হয়। তবে, অন্ধকার ঘরে ঘুমালে পোকামাকড়ের ভয় থাকা স্বাভাবিক। তাই মশারি টাঙান অবশ্যই।

ঘুমের আগে মোবাইল বা ল্যাপটপ ঘাঁটবেন না। মোবাইল, টিভি ও ল্যাপটপের স্ক্রিন থেকে আসা নীল আলো শরীরে মোলাটোনিন হরমোনের উৎপাদন বন্ধ করে দেয়। মেলাটোনিন ক্যালোরি বার্ন করার অন্যতম প্রধান উপাদান। এই মেলাটোনিনের পর্যাপ্ত জোগান না থাকলে মেদ কোনো দিনই কমবে না। তাই ঘুমানোর আগে মোবাইল-ল্যাপটপ-ভিডিও গেম থেকে দূরে থাকাই বুদ্ধিমানের কাজ।

হালকা এসি চালিয়ে ঘুমান, বাড়িতে এসি না থাকলে ঘুমানোর আগে উষ্ণ জলে স্নান সেরে নিন। মাথা বাদ দিলেও শরীরটুকু ভেজান। পাখা চালিয়েই ঘুমান। ঘুমের মাঝে নিজেকে গরম রাখতে শরীর নিজেই বেশি ক্যালোরি খরচ করে। এতে মেদ কমে সহজে। তবে সর্দি-কাশির অসুখ থাকলে এই বিষয়টি এড়িয়ে যেতে পারেন।
সহজেই মেদ ঝরাতে গেলে শোয়ার অন্তত ২ ঘণ্টা আগে রাতের খাবার সেরে নিন? পাশাপাশি রাতের খাবারটাও হালকা রাখুন? সে ক্ষেত্রে সরাসরি ফ্যাট জমে না শরীরে। কেউ কেউ ভারি বা আঁটসাঁট পোশাকে ঘুমাতে যান। মেদ ঝরাতে শরীরকে হালকা রাখুন। চেষ্টা করুন নরম ও হালকা পোশাকে ঘুমাতে। আঁটসাঁট পোশাকে রক্ত চলাচলে ব্যাঘাত হয়। আবার ভারি ও ঢাকা পোশাক থাকার ফলে নিজেকে গরম রাখতে শরীরকে খুব একটা শ্রম করতে হয় না, ফলে ক্যালোরি বার্নও কম হয়। তাই ঘুমের মধ্যেও শরীরের ক্যালোরি কমাতে চাইলে হালকা পোশাকই বেছে নিন।

(Visited 1 times, 1 visits today)





Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked as *

*

+ 36 = 40

Skip to toolbar