Main Menu

ধর্ম ও জীবন

জানাজায় অংশগ্রহণ সম্পর্কে বিশ্বনবীর বাণী

নবী করিম ( সা:) বলেছেন, একজন মুমিন ব্যক্তির প্রতি অন্য মুমিন ব্যক্তির ছয়টি হক রয়েছে। এ হক গুলোর মধ্যে অন্যতম ১টি হলো- যদি কোনো প্রতিবেশি মৃত্যু বরণ করে, তাহলে সেই জানাজায় উপস্থিত হওয়া মুমিন প্রতিবেশির উপর মুমিন প্রতিবেশির হক। জানাজায় অংশগ্রহণ যদিও প্রতিবেশির পরস্পরের অধিকার বা হক। হক আদায়ে জানাজায় অংশগ্রহণ করলে তার জন্য রয়েছে দুনিয়া এবং পরকালের উভয় স্থানে উপহার। জানাজায় উপস্থিত হয়ে মানুষ যখন মৃত ব্যক্তিকে দেখবে, তখন দুনিয়ার অন্যায় এবং খারাপ কাজের চিন্তা ওই ব্যক্তি  থেকে দূরে চলে যাবে। হজরত আবু হুরায়রা থেকে বর্ণীত নিশ্চয়  হযরত মোহাম্মদ ( সা:) বলেছেন, যে ব্যক্তি কোনো মৃত মুসলিম ব্যক্তির জানাজায়বিস্তারিত


শয়তানের ধোকা থেকে মুক্তি লাভের আমল

আল্লাহ তাআলা মানুষকে তাঁর রহমতের কারণে ক্ষমা ও নাজাত দান করবেন। তারপরও কুরআন হাদিসে অসংখ্য আমল ও দোয়া উল্লেখ করা হয়েছে। প্রিয়নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হাদিসে ইরশাদ করেছেন, ‘তোমার ঈমানকে খাঁটি কর; অল্প আমলই নাজাতের জন্য যথেষ্ট হবে।’ শয়তান মানুষের সবচেয়ে বড় ও প্রকাশ্য দুশমন। শয়তানের ধোকা ও প্রতারণা থেকে বেঁচে থেকে মানুষ যদি তাঁর ঈমান খাঁটি করার সাথে সাথে সহিহ পদ্ধতিতে আমল করে তবে আল্লাহর রহমতে মুক্তি লাভের আশা করা যায়। শয়তানের ধোঁকা থেকে মুক্তি লাভের একটি সহজ দোয়া তুলে ধরা হলো- উচ্চারণ : ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু লা শারিকা লাহু; লাহুল মুলকু ওয়া লাহুল হামদু ওয়া হুয়াবিস্তারিত


গর্ভবতী, খোড়া, রুগ্ন বা বিভিন্ন ক্রুটিযুক্ত পশু দ্বারা কোরবানি করা যাবে কিনা?

মাসআলা : খোড়া পশুর কুরবানী, যে পশু তিন পায়ে চলে, এক পা মাটিতে রাখতে পারে না বা ভর করতে পারে না এমন পশুর কুরবানী জায়েয নয়। [জামে তিরমিযী ১/২৭৫, সুনানে আবু দাউদ ৩৮৭, বাদায়েউস সানায়ে ৪/২১৪, রদ্দুল মুহতার ৬/৩২৩, আলমগীরী ৫/২৯৭] মাসআলা : রুগ্ন ও দুর্বল পশুর কুরবানী, এমন শুকনো দুর্বল পশু, যা জবাইয়ের স্থান পর্যন্ত হেঁটে যেতে পারে না তা দ্বারা কুরবানী করা জায়েয নয়। [জামে তিরমিযী ১/২৭৫, আলমগীরী ৫/২৯৭, বাদায়েউস সানায়ে ৪/২১৪] মাসআলা : দাঁত নেই এমন পশুর কুরবানী, যে পশুর একটি দাঁতও নেই বা এত বেশি দাঁত পড়ে গেছে যে, ঘাস বা খাদ্য চিবাতে পারে না এমনবিস্তারিত


জেনে নিন নির্জন প্রান্তরে নামাজ আদায়ের ফজিলত

নামাজ ইসলামের দ্বিতীয় ও গুরুত্বপূর্ণ রুকন। ফরজ নামাজের পাশাপাশি রয়েছে সুন্নাত ও নফল নামাজ। বান্দা নামাজের মাধ্যমে আল্লাহর নৈকট্য লাভ করে। ফরজ নামাজ মসজিদে গিয়ে জামাআতের সহিত আদায় করার কঠোর তাগিদ দিয়েছেন রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম। কোনো মানুষ যদি জনমানবহীন প্রান্তরে বসবাস করে সে নির্জন প্রান্তরে নামাজ আদায়ের ফজিলত অত্যাধিক। হাদিসে এসেছে- ক. হজরত উকবাহ ইবনে আমের রাদিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, তোমার প্রতিপালক বিস্মত হন পর্বত চূড়ায় সেই ছাগলের রাখালকে দেখে, যিনি নামাজের জন্য আজান দিয়ে (সেখানেই) নামাজ আদায় করে। আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘তোমরা আমার এ বান্দার প্রতি লক্ষ্য কর (এমন জায়গাতেও) আজানবিস্তারিত


ক্ষমা ও রহমত লাভের দোয়া

প্রত্যেক মানুষ আল্লাহ তাআলার নিটক ক্ষমা ও রহমতের প্রত্যাশী। সুখে-দুঃখে, আনন্দ-বেদনায় সর্বাবস্থায় আল্লাহর রহমত ও ক্ষমা লাভ মানুষের জন্য অনেক বড় নিয়ামাত। আল্লাহ তাআলা নিজেই বান্দাকে শিখিয়েছেন কিভাবে তার কাছে রহমত ও ক্ষমা লাভের আবেদন করতে হবে। তা তুলে ধরা হলো- উচ্চারণ- রাব্বানা আমান্না ফাগফিরলানা ওয়ারহামনা ওয়া আংতা ফাইরুর রাহিমিন। অর্থ : হে আমাদের পালনকর্তা! আমরা বিশ্বাস স্থাপন করেছি। তুমি আমাদের ক্ষমা কর এবং আমাদের প্রতি রহম কর। তুমিতো সর্বশেষ্ঠ দয়ালু। (সুরা মুমিনুন : আয়াত ১০৯) উল্লেখ্য যে, সুরা মুমিনুন এর শেষদিকের আয়াতগুলো খুবই ফজিলতপূর্ণ ও বরকতময়। এ আয়াতগুলো আল্লাহ তাআলা প্রত্যেক আদিষ্ট ও কাম্য বস্তু অর্জিত হওয়াকে অন্তর্ভূক্ত রেখেছেন।বিস্তারিত


Skip to toolbar